প্রকৃত আলেম এবং ভণ্ড আলেম ও ধর্মব্যবসার ইতিকথা

লিখেছেন লিখেছেন জিনিয়াস ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০৬:৫৬:৪৬ সন্ধ্যা

ধর্মব্যবসায়ীদের পরিচয়: আমাদের সমাজে লম্বা দাড়ি, টুপিওয়ালাদের আলেম হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়াও যারা মাদ্রাসায় দাখেল আলেম কিঙবা কামেল পাশ করে বের হয় তাহলে তাদেরকে আলেম কিঙবা কামেল বলে অভিহিত করা হয়। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কি তারা আলেম? এই হিসেবে রসুলাল্লাহ এবং সাহাবাদের কে কোথায় কোন মাদ্রাসায় পড়ে আলেম হয়েছেন? তারা কোন মাদ্রাসায় না পড়লেও আল্লাহ তাদেরকে আলেম করে দিয়েছেন। রসুলাল্লাহ বোলেছেন, আমার আসহাবগণ এক একজন উজ্জল তারার ন্যায়। তাদের যে কাউকে অনুসরণ করলে সুপথ পাওয়া যাবে। এখন যদি আল্লাহ আবার কাউকে এলেম দান করেন তাহলে তাতে অবাক হওয়া কিছু থাকে কি? না আলেম হতে গেলে মাদ্রাসায় পড়তেই হবে? কিন্তু আমরা এও জানি যে, এই উপমহাদেশে মাদ্রাসা তৈরি করেছে বৃটিশ খ্রিস্টানরা। তারা ১৭৬ বছর মাদ্রাসায় যে মাসলা মাসায়েল ও কুটতর্ক-বিতর্ক সমৃদ্ধ ইসলাম শিখিয়েছে বর্তমান নামধারী, টাইটেলওয়ালা, লম্বা দাড়ি, বড় বড় জোব্বার অধিকারীরা এদেরই বর্তমান প্রজন্ম। ইসলাম এই তথাকথিত টাইটেলধারী আলেমদের কপিরাইটসর্বস্ব পণ্য হয়ে যাওয়ায় মুসলিম জাতি আজ প্রকৃত ইসলাম বহু দূরে চলে গেছে। এসময় সম্বন্ধে শেষ রসুলের একটি হাদিস নিম্নরূপ:

এমন সময় আসবে যখন- (১) ইসলাম শুধু নাম থাকবে, (২) কোর’আন শুধু অক্ষর থাকবে, (৩) মসজিদসমূহ জাঁকজমকপূর্ণ ও লোকে লোকারণ্য হবে কিন্তু সেখানে হেদায়াত থাকবে না, (৪) আমার উম্মাহর আলেমরা হবে আসমানের নিচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব, (৫) তাদের তৈরী ফেতনা তাদের ওপর পতিত হবে। [হযরত আলী (রা: থেকে বায়হাকী, মেশকাত]

يوشك أن يأتي على الناس زمان لا يبقى من الإسلام إلا اسمه ولا يبقى من القرآن إلا رسمه، مساجدهم عامرة وهي خراب من الهدى، علماؤهم شر من تحت أديم السماء، من عندهم تخرج الفتنة وفيهم تعود

Ali (ra) narrated that the Messenger of Allah (peace be upon him) said: ‘A time will come in the near future when there will be nothing left of Islam except its name. And there will be nothing left of the Qur’an except its words. Their mosques will be splendidly furnished and will apparently be full of people, but will be destitute of guidance. Their ulema (scholars) will be the worst creatures under the sky. Discord will rise from them and will come right back to them." [(Al-Bayhaqi, Meskat, The Last Day and Its Portents]

এই শ্রেণীটি জীবিকার জন্য ধর্ম বিক্রির উপর নির্ভরশীল। এরা মানুষের সম্পদ অবৈধভাবে ভক্ষণ করে। নামাজ পড়িয়ে, কোরান খতম দিয়ে, মুর্দা দাফন করিয়ে, সুর করে ওয়াজ করে অর্থাত দীনের কাজ করে বিনিময় গ্রহণ করে।

এ ব্যাপারে কোরআন সতর্ক করছে:

১ নূহের (আ) এর ঘোষণা: হে আমার সম্প্রদায়! এর পরিবর্তে আমি তোমাদের নিকট ধন সম্পদ চাই না। আমার পারিশ্রমিক আল্লাহর নিকট। [সুরা হুদ-২৯, সুরা শুআরা - ১০৯, সুরা ইউনুস - ৭২]

২ হুদের (আ) ঘোষণা: হে আমার সম্প্রদায়! আমি এর পরিবর্তে তোমাদের নিকট কোনো মজুরি চাই না। আমার পারিশ্রমিক তাঁরই নিকট যিনি আমাকে সৃষ্টি কোরেছেন। তোমরা কি তবুও বুঝতে চেষ্টা কোরবে না? [হুদ-৫১, সুরা শুআরা - ১২৭]

৩ সালেহ (আ) এর ঘোষণা: আমি তোমাদের নিকট এর জন্য কোনো পারিশ্রমিক চাই না। আমার মজুরি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট রোয়েছে। [শুয়ারা-১৪৫]

৪ লুতের (আ) ঘোষণা: এর জন্য আমি কোনো মজুরি চাইনা। আমার মজুরি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে। [শুয়ারা-১৬৪]

৫ শোয়েবের (আ) ঘোষণা: আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোনো মূল্য চাই না। আমার মজুরি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে। [শুয়ারা-১৮০]

৬ মোহাম্মদ (দ) এর প্রতি আল্লাহর হুকুম:

ক. এবং তুমি তাদের নিকট কোনো মজুরি দাবি কোর না। এই বাণী তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ মাত্র। [ইউসুফ - ১০৪]

খ. বল! আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোনো পারিশ্রমিক চাই না। এবং যারা মিথ্যা দাবি করে আমি তাদের দলভুক্ত নই। [সাদ - ৮৬]

গ. তাদেরকেই (নবীদেরকেই) আল্লাহ সৎপথে পরিচালিত কোরেছেন। সুতরাং তুমি তাদের পথ অনুসরণ কর; বল! এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোনো মজুরি চাই না। [আনআম - ৯০]

ঘ. বল! আমি এর বিনিময়ে তোমাদের কাছ থেকে প্রেম-ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার ব্যতীত অন্য কোনো মজুরি চাই না। [শুরা - ২৩]

ঙ. আমি তাদেরকে দিয়েছি উপদেশ, কিন্তু তারা উপদেশে থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অথবা তুমি কি তাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাও? তোমার প্রতিপালকের প্রতিদানই তো শ্রেষ্ঠ এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ রেযেকদাতা। [২৩: সুরা মো’মেনুন: ৭১-৭২]

চ. তবে কি তুমি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাচ্ছো যা ওরা একটি দুর্বহ বোঝা মনে করে? [৫২: সুরা তুর: ৪০]

সুতরাং কোর’আনের ভাষ্যমতে দীনের, ধর্মের কোনো কাজ কোরে নবী ও রসুলরা যেমন পারিশ্রমিক গ্রহণ কোরতেন না, তেমনি তাঁদের উম্মাহর জন্যও পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বৈধ নয়।

কিন্তু তারা কি আল্লাহকে ভয় করে সাবধান হবে? যাদের অস্থিমজ্জাসহ আগুন খেয়ে জাহান্নামের উপযুক্ত হয়ে গেছে তাদের কাছে কি ইসলাম শিক্ষা করবো আমরা? তাদের পোশাক আশাক দেখে? আল্লাহ বলেছেন, আমি মানুষের লেবাস দেখি না- দেখি তাদের অন্তর। অতএব...

বিষয়: বিবিধ

২৫৬ বার পঠিত, ২০ টি মন্তব্য

পাঠকের মন্তব্য:

156294
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ সন্ধ্যা ০৭:০২
সুমন আখন্দ লিখেছেন : ভালো লাগলো অনেক ধন্যবাদ
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ সন্ধ্যা ০৭:১৪
111365
জিনিয়াস লিখেছেন : আমি খুব চামার টাইপের লোক। ধন্যবাদেও তাই ভালা লাগে না। কথামত কাজ করতে হবে। পোশাকী আলেমদের থোতা মুখ ভোতা করে দিতে হবে।
156296
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ সন্ধ্যা ০৭:০৯
মোহাম্মদ আসাদ আলী লিখেছেন : ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ সন্ধ্যা ০৭:১৫
111366
জিনিয়াস লিখেছেন : আমি খুব চামার টাইপের লোক। ধন্যবাদেও তাই ভালা লাগে না। কথামত কাজ করতে হবে। পোশাকী আলেমদের থোতা মুখ ভোতা করে দিতে হবে। আপনিও মনে হয় পারবেন। আপনার লেখাগুলো ভালা লাগছে।
156301
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ সন্ধ্যা ০৭:৩১
অপ্রিয় সত্য কথা লিখেছেন : আপনি আলেমদের এক তরফা দোষ লেখে গেলেন?? তা হলে আপনার মতে বতর্মান সব আলেমরাই খারাপ????

আপনার লেখা মাদ্রাসা জন্মের ইতিহাস পুরাপরি সঠিক নয়।ইহা দ্বারা আপনার মাদ্রাসা বিদ্বেষ মনোভাব প্রকাশ করলেন।যা কোন মুসলমানের কাম্য নয়।

আলেমদের ব্যাপারে হাদিসে যে রকম সতর্ক বানী আছে তদ্রপ সঠিক আলেমদের ব্যাপারে সুসাংবাদও আছে।
আলেম বিদ্বেষী হওয়া আজ আমাদের দেশে এক শ্রেনীর মানুষের রোগে পরিণত হয়েছে।
আল্লাহ সবাইকে বুঝ দান করুন।
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ সন্ধ্যা ০৭:৫৩
111379
জিনিয়াস লিখেছেন : আমার লেখার যথাযথ কারণ আছে। একশ্রেণীর আলেমরা ইসলামকে তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ মনে করছে। তাদের অভিমত যারা মাদ্রাসায় পড়ে না তারা আলেম নয়। এরা সাধারণ মানুষকে এইসব বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে ইসলাম হতে সরিয়ে রেখেছে। নিজেরা ইসলামের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে এতটাই দুর্বোধ্য করে তুলেছে যে, মানুষ আজ ইসলামের নাম শুনলেই ভয় পায়।

আপনার বিশেষ এই উষ্মার কারণটা ধরতে পারলাম না। আপনি কি সেই বিশেষ শ্রেণীর আলেমদের অন্তর্ভূক্ত?
প্রকৃত আলেমদের মর্তবা কোথায় তা আমিও জানি। তাদেরকে কোনভাবেই অসম্মান করা যায় না। জ্ঞানত: আমি তাদেরকে কখনো অপমান করতেও পারব না। কিন্তু আলোচ্য পোস্টটিতে শুধু ধর্মব্যবসায়ী আলেমদের কথাই বলা হয়েছে।
রসুলাল্লাহর ভবিষদ্বাণীর ৫ম অংশটুকু খেয়াল করে দেখুন (তাদের তৈরী ফেতনা তাদের ওপরই পতিত হবে।) সুতরাং তারা নিজেদের সৃষ্ট ফেতনা হতে রেহাই পাবে না।

ভয় নেই। প্রকৃত আলেমদেরকে কেউ ছোট করতে পারবে না। আপনি কোনটা?
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০৮:১১
111380
অপ্রিয় সত্য কথা লিখেছেন : আমি কেনাটা আলিমুল গায়েবের খবর আমার কাছে নাই।
যারা মাদ্রাসা পড়ে না,তাদেরকে আলেম বলতে হবে কোন যুক্তিতে আপনি বলছেন?
আজকে তো অনেক কে দেখা যায় নিজকে স্কলার ফস্কালর পরিচয় দিয়ে ইসলামে নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।আপনি কি তাদের ব্যাপারে সুপারিশ করছেন।
মনে রাখবেন দ্বীনের দায়ী এক জিনিষ,আলেম ভিন্ন জিনিষ।
সাধারনতঃযে দৈনিন্দিন জীবন-যাপনের জন্য শরিয়তের যতটুকু মাসলঅ-মাসায়েল জানা দরকার , যে ততটুকু জানে সেও একজন আলেম।
তবে পার্থ্যক্য আছে।
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০৮:৪০
111382
শেখের পোলা লিখেছেন : যুক্তি তর্ক কাম্য হলেও ঝগড়া কাম্য নয়৷ ইসলাম বানিজ্য করেনা এমন আলেম অবশ্যই আছে, তবে তা দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে৷ আর আলেম শব্দের অর্থ যদি জ্ঞাণী হয় তবে তার জন্য শুধু মাদ্রাসায় পড়াই এক মাত্র উপায় নয়৷ এ ব্যাপারে সাহাবীদের উদাহরণ দিয়ে ছেন৷ আল্লাহর রসুলও কোন মাদ্রাসায় পড়েননি৷ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার সাল তারিখ যাই হোক তার আগেও কোরআন হাদীশের জ্ঞান সম্পন্ন আলেম এ দেশে ছিলেন৷ তাই ও জায়গাটাকে সম্মান দিয়েই বলতে চাই ওর বাইরেও আলেম আছে ছিল থাকবে৷ জাকির নায়েক কে উদাহরণ দিলাম৷নোমন খানও ঐ দলে৷ বাংলা দেশে হাজার হাজার মাদ্রাসা আর লক্ষ লক্ষ আলেম, তার পরও মসজিদের গেটে তালা পড়ে৷ দাড়ী টুপিতে মানুষ নিজেকে অসহায় ভাবে৷ এর কারণ অনুসন্ধান করুন৷ ধন্যবাদ৷
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০৮:৫৪
111393
জিনিয়াস লিখেছেন : @অপ্রিয় সত্য কথা- আমি সেই আলেমদের কথা বলছি যারা কথায় কথায় প্রশ্ন তোলে আপনি কি আলেম? আলেম না হয়ে ইসলামের কথা বলবেন না। সেই সাথে বলে তিনি কোন মাদ্রাসায় পড়েছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। আরো আশ্চর্যের কথা এই যে এরা ইসলামের কথা বললে যুক্তি না খুজে প্রতিদ্বন্দ্বির মত আচরণ করে। তারা মনে করে তারাই আল্লাহ রসুলের কাছ থেকে ইসলামের কপিরাইট নিয়ে এসেছে মনোপলি ব্যবসা করার জন্য। তবে শেষ কথা হচ্ছে নিজেদের সৃষ্ট ফেতনা নিজেদের উপর থেকে তারা কিছুতেই সরাতে পারবে না। ভোগ করে যেতেই হবে।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ দুপুর ০২:৫২
125703
অপ্রিয় সত্য কথা লিখেছেন : জিনিয়াস -দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া প্রতিটি মুসলমানের কাজ।বাকি মাসলা-মাসায়েল দেওয়া প্রত্যেক মুসলমানার কাজ নয়।
আরো ভালো ভাবে সতর্ক হয়ে লেখুন।
156312
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০৮:৩২
নাবীল লিখেছেন : দাড়ী ওয়ালারা আলেম না ওবায়দুল কাদের আলেম,সন্ত্রাসি ম,খা আলেম,তারপরে নাসিম আলেম,জুতা শাহজাহান আলেম আপনার দৃষ্টিতে বুঝা যায় এরা আলেম।
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০৮:৪৯
111387
জিনিয়াস লিখেছেন : আপনি ব্যাপক রাজনৈতিক হয়ে গেছেন। এটা একধরনের পারভার্সন।
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ১১:৪১
111442
ঘুম ভাঙাতে চাই লিখেছেন : কিন্তু আমরা এও জানি যে, এই উপমহাদেশে মাদ্রাসা তৈরি করেছে বৃটিশ খ্রিস্টানরা।" আপনার জ্ঞানের বাহার দেখে অবাক হচ্ছি। কোথা থেকে জানলেন ভাই? পন্নী সাহেবের গ্রন্হ থেকে? পাগলের প্রলাপ বকবেন না। আলেমদের নিয়ে জঘন্য কথা বলা বন্ধ করুন। আসহাবে সুফফা (প্রায় ৭০জন সাহাবী)সর্বক্ষণ কি কারণে মসজিদে নববীতে অবস্হান করতেন? আয়েশা (রাঃ)এর নিজস্ব শিক্ষালয় ছিল যেখানে ২০০ ছাত্র অধ্যয়ন করত। ইমাম আবূ হানিফা (রঃ),মালেক, হাম্বল,শাফেয়ী, মুহাম্মাদ, ইউসুফ,তাইমিয়া (রঃ) কি আসমান থেকে আলেম হয়েছিলেন?? কাজেই কওমী মাদ্রাসা ব্রিটিশদের তৈরী কোন ছাগলে বলেছে আপনাকে?মাদ্রাসা শুধু উপমহাদেশে না মিডল ইস্টে হাজার বছর ধরে মাদ্রাসায় ইসলাম ও জ্ঞান-বিজ্ঞান নিয়ে পড়ানো হচ্ছে। আপনাদের ঐ দাড়িছাড়া লোকটাকে আল্লাহ এতই জ্ঞান দিয়ে দিল যে, তিনি সবাইকে ভন্ড বানিয়ে দিলেন। নাকি উনি নিজেই ভন্ড ছিলেন? মিথ্যাচার বন্ধ করেন।
156405
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ১১:৩৪
গেরিলা লিখেছেন : ভালো লাগলো অনেক ধন্যবাদ
156410
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ১১:৩৮
বড়মামা লিখেছেন : যার কাছে যেই বিষয়ের ইলম[জ্ঞ্যান]থাকে তাকে,তাকে ঐবিষয়ের আলেম বলা হয়। আলেমে দীন হইতে হলে দীন বা ধর্ম সমন্ধে গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। ডাক্তারদের মত যেমন পেরাসিটামল অল্প অবিঙ্গতা থাকলেই দেওয়া যায়।মারাক্ত হলে বিষেজ্ঞ ডাঃ লাগে।সৌদিতে মসজিদুল হারামে এক আলেম বলেছিলেন বর্তমান যুগে আমরা যেমন ফার্মেসি দিয়ে বসে আছি। কোন রোগের,কোন ঔসধ তা কোরান হাদিস রিচার্স করে সুন্দর করে লিখে গেছেন ইমামরা তাঁদের কাছে দীনের সকল ইমামরাই সন্মানী ব্যাক্তি।মাদ্রাসা ইলম হাছিল করার একটা পরিবেশ মাত্র ।মাদ্রসাতে এক সাথে অনেক গুলি ছাত্রকে শিক্ষা দেওয়া যায় ।আলেম হওয়ার সাথে সাথে তার লেবাছ যদি ভালো হয় তাহলে উত্তম ।দাড়ি মোছ ছাড়া পুরুষ মানুষ আল্লাহর রাসুল [সাঃ]পছন্দ করতেন না। ।সাহাবীদের জীবন দেখুন। আমাদের দেশে কিছু লোক বড় মুছ রেখে উপরের ঠোট ডেকে ফেলে দেখতে কত বিছরী লাগে। অতছ তাদের কাছে খুব ভালো লাগে কারন তাদের কাছে দীনের ইলম নাই।নফসের খায়েস পুরা করে।আলেমের আমল বেশী করতে হয় ।আলেম যখন দাড়ি,টুপি লম্বা জামা মেছোয়াক,এগুলি দেখা যায় ।তারপর ছোট,বড় সবাইকে নিয়ম অনুযাই সালাম দেওয়া দেওয়া,এবং কেউ ছালাম দিলে আওয়াজ না করে মাথা দিয়ে জবাব দেওয়া, গিবত,হিংসা,নিন্দা,চোগলখুরি করা অযথা তর্ক করা ফালতু কথা বলা অহংকার করা।এসব আমল গুলি সঠিক ভাবে পালন না করলে, শুধু বেশ নিয়া থাকলে সাধারন মানুষ আলেমের পতি ভক্তি শ্রদ্ধা কমিয়ে দেয়।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ দুপুর ০২:৪৯
125698
অপ্রিয় সত্য কথা লিখেছেন : সুন্দর বিশ্লোষন।ধন্যবাদ।
156415
২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ১১:৪১
ঘুম ভাঙাতে চাই লিখেছেন : "কিন্তু আমরা এও জানি যে, এই উপমহাদেশে মাদ্রাসা তৈরি করেছে বৃটিশ খ্রিস্টানরা।" আপনার জ্ঞানের বাহার দেখে অবাক হচ্ছি। কোথা থেকে জানলেন ভাই? পন্নী সাহেবের গ্রন্হ থেকে? পাগলের প্রলাপ বকবেন না। আলেমদের নিয়ে জঘন্য কথা বলা বন্ধ করুন। আসহাবে সুফফা (প্রায় ৭০জন সাহাবী)সর্বক্ষণ কি কারণে মসজিদে নববীতে অবস্হান করতেন? আয়েশা (রাঃ)এর নিজস্ব শিক্ষালয় ছিল যেখানে ২০০ ছাত্র অধ্যয়ন করত। ইমাম আবূ হানিফা (রঃ),মালেক, হাম্বল,শাফেয়ী, মুহাম্মাদ, ইউসুফ,তাইমিয়া (রঃ) কি আসমান থেকে আলেম হয়েছিলেন?? কাজেই কওমী মাদ্রাসা ব্রিটিশদের তৈরী কোন ছাগলে বলেছে আপনাকে?মাদ্রাসা শুধু উপমহাদেশে না মিডল ইস্টে হাজার বছর ধরে মাদ্রাসায় ইসলাম ও জ্ঞান-বিজ্ঞান নিয়ে পড়ানো হচ্ছে। আপনাদের ঐ দাড়িছাড়া লোকটাকে আল্লাহ এতই জ্ঞান দিয়ে দিল যে, তিনি সবাইকে ভন্ড বানিয়ে দিলেন। নাকি উনি নিজেই ভন্ড ছিলেন? মিথ্যাচার বন্ধ করেন।
২৭ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০১:২১
111490
মোহাম্মদ আসাদ আলী লিখেছেন :
অন্য কোন যুক্তি তর্ক পরে করবেন আগে এই ভিডিওটি দেখুন অতঃপর যদি স্বপক্ষের কোন যুক্তি খুজে পান তাহলে জানাতে পারেন।
২৭ ডিসেম্বর ২০১৩ সকাল ১১:৫৪
111586
জিনিয়াস লিখেছেন : ওহে ঘুম ভাঙ্গাতে চাই! আপনি কিভাবে মানুষকে ঘুম ভাঙ্গাতে চান, যেখানেই নিজেই গভীর ঘুমে অচেতন? আপনাকে যদি মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিহাসের সঠিক সূত্রটি দেওয়াও হয় তাহলে আপনার মত অন্ধ লোক তা মানবেন কী?
আমি ধর্মব্যবসায়ী আলেমদের ব্যাপারে বলছিলা। কিন্তু আওয়াজ শুনে মনে ঠাকুর ঘরে কেরে? আমি কলা খাই না টাইপের হয়ে গেছে।
আচ্ছা, আপনি তাদের অন্তর্ভূক্ত? আপনি কি পেশাগতভাবেই ধর্মজীবি?

যদি তাই হোন তাহলে আপনার ব্যাপারে সুরা বাকারার ১৭৪ নং আয়াত প্রযোজ্য। সেখানে আল্লাহ বলেছেন, কেয়ামতের দিন তাদের আল্লাহ তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, কথাও বলেবেন না। আমিও এই ধর্মজীবীদের সাথে কথা বোলে সময় নষ্ট করতে চাই না।
156472
২৭ ডিসেম্বর ২০১৩ রাত ০১:২৫

মন্তব্য করতে লগইন করুন




Upload Image

Upload File